ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০২১-০৮-১০
  • ৬৬৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার আসামি কারাগারে থাকা সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করেছে আদালত। 
আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিনের ভার্চুয়াল আদালতে শুনানী শেষে তার জামিন আবেদন খারিজ করা হয়। ১২ মে গ্রেপ্তার হওয়ার পর এটিই বাবুল আক্তারের প্রথম জামিন আবেদন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাবুল আক্তারের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আজমুল হুদা। 
তিনি বলেন, ‘আমরা সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের জামিনের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে আবেদন করেছি। আদালত শুনানি শেষে তা না মঞ্জুর করে।’
২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে মিতু তার ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ে তাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়। মিতু হত্যার পর তার স্বামী বাবুল আক্তার পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।
গত ১২ মে সেই মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয় পিবিআই। একইদিন মিতুর বাবা মোশারফ হোসেন নগরীর পাঁচলাইশ থানায় সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারসহ আটজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের ৪৭ মিনিটের মাথায় তদন্তভার নেয় পিবিআই।
পিবিআই ১২ মে বাবুল আক্তারকে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ১৭ মে আদালতে হাজির করে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি গ্রহণের জন্য। কিন্তু বাবুল আক্তার আদালতে জবানবন্দি না দেওয়ায় আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়। প্রথমে চট্টগ্রাম কারাগারে ছিলেন বাবুল আক্তার। ২৯ মে তাকে ফেনী কারাগারে স্থানান্তর করে কারা কর্তৃপক্ষ।
মিতু হত্যার ৫ বছরের মাথায় তার পিতা মোশারফ হোসেনের দায়ের করা মামলায় বাবুলের সহযোগী আছে আরও সাতজন। তারা হলেন- কামরুল ইসলাম শিকদার প্রকাশ মুসা, এহতেশামুল হক ভোলা, মোতালেব মিয়া প্রকাশ ওয়াসিম, আনোয়ার হোসেন, খায়রুল ইসলাম কালু, সাইফুল ইসলাম শিকদার ও শাহজাহান মিয়া।
আসামিদের মধ্যে কামরুল ইসলাম শিকদার প্রকাশ মুসা ও খায়রুল ইসলাম কালুর কোনো হদিস পায়নি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সন্তোষ কুমার চাকমা। এহতেশামুল হক ভোলা জামিনে গিয়ে পলাতক আছেন। সম্প্রতি তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই তিনজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয় আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat