ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০২১-০৭-০৭
  • ৬৩২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন আজ বলেছেন, সরকার দেশবাসির জন্য টিকা সরবরাহ নিশ্চিতে কোভ্যাক্সের আওতায় বিভিন্ন সূত্রে আরো কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন সংগ্রহ ও বাণিজ্যিকভাবে ক্রয়ের ক্ষেত্রে ইতোমধ্যেই  ভাল একটা অবস্থানে রয়েছে।
আজ পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বাসভবনে সাংবাদিকদের আরো বলেন, ‘এখন আমরা একটি ভাল অবস্থানে রয়েছি। আগামীতে ভ্যাকসিনের কোন ধরনের সংকট বা ঘাটতি থাকবে না। আমরা (পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন পাওয়ার ক্ষেত্রে) একটি ভাল অবস্থানে রয়েছি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঢাকা কোভ্যাক্স কাঠামোর আওয়াত চলতি মাসেই জাপানের কাছ থেকে ২.৫ মিলিয়ন ডোজ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছ থেকে আরো ১ মিলিয়ন ডোজ কোভিড ভ্যাকসিন পেতে পারে। ভ্যাকসিনের এই ডোজের সঠিক সংখ্যা এখনো ঠিক না হলেও, ঢাকা চলতি মাসেই এই সংখ্যক ভ্যাকসিন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। মোমেন বলেন, ‘এগুলো অ্যাস্ট্রাজেনিকা ভ্যাকসিন হতে পারে।’
বাংলাদেশ কোভ্যাক্সের আওতায় সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ২.৫ মিলিয়ন ডোজ মর্ডানার ভ্যাকসিন পেয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন ডিসি ঢাকাকে জানিয়েছে যে- তারা বাংলাদেশে আরো টিকা পাঠাবে। কোভ্যাক্স- সবার জন্য সমানভাবে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিতের লক্ষ্যে গ্যাভি, দি ভ্যাকসিন অ্যালাইয়েন্স পরিচালিত একটি বৈশ্বিক মৈত্রীজোট।
মোমেন আরো বলেন, ঢাকা- চীন ও রাশিয়া থেকে কোভিড ভ্যাকসিন ক্রয়ের জন্য সক্রিয়ভাবে যোগাযোগ অব্যহত রেখেছে। ‘আমরা সঠিক পথেই এগুচ্ছি।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ চীন সরকারের কাছ থেকে যে ২ মিলিয়ন ডোজ সিনোফার্ম ভ্যাকসিন ক্রয় করেছে, তা ইতোমধ্যেই বাংলাদেশে পৌঁছেছে। চীনের সিনোফার্ম ও সিনোভ্যাকের আরো  টিকা ক্রয়ের ব্যাপারে আলোচনা চলছে।
পুনরায় ভারতীয় ভ্যাকসিন আসার ব্যাপারে এক প্রশ্নের জবাবে মোমেন বলেন, নয়াদিল্লী কিন্তু কখনোই বলেনি যে- তারা বাংলাদেশকে ভ্যাকসিন দিবে না। তিনি আশা করেন-  ভারতের করোনা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটলেই ঢাকা প্রতিবেশী দেশটির কাছ থেকে ক্রয়কৃত অবশিষ্ট ভ্যাকসিন পাবে।
শুধু ২ ও ৩ জুলাই- এই দুই দিনেই বিভিন্ন চালানে করে বাংলাদেশে ২.৫ মিলিয়ন ডোজ মর্ডানার কোভিড ১৯ ভ্যাকসিন এবং চীনের সিনোফার্ম ভ্যাকসিনের ২ মিলিয়ন ডোজ বাংলাদেশে পৌঁছেছে। ঢাকা বেইজিংয়ের কাছ থেকে সিনোফার্মের এই ভ্যাকসিন কিনেছে।  
২৯ জুন, ডিরেক্টোরেট জেনারেল অব ড্রাগ অ্যাডমিনিস্টেশন (ডিজিডিএ) দেশে কোভিড-১৯ মর্ডানার ভ্যাকসিনের জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন (ইমার্জেন্সি ইউজ অথোরাইজেশন) দিয়েছে।
বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত প্রাণঘাতি ভাইরাসটির মোকাবেলায় আটটি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়েছে।  
অনুমোদিত কোভিড১৯ ভ্যাকসিনগুলো হচ্ছে- মর্ডানা, জনসন অ্যান্ড জনসন, করোনাভ্যাক, ফাইজার, কোভিশিল্ড, স্পুটনিক ভি, অ্যাস্ট্রাজেনিকা ও সিনোফার্ম।
এখন পর্যন্ত ৭২ লাখ ৪৮ হাজার ৮২৯ জন কোভিড এর ভ্যাকসিন গ্রহণের জন্য নিবন্ধিত হয়েছে।
৭ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশব্যাপী কোভিড-১৯ এর টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। এতে দেশের সকল স্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ গ্রহণ করে। ১ হাজার ৫৫টি টিকা কেন্দ্র এই ভ্যাকসিন দেয়া হয়।
১ জুলাই পর্যন্ত, মোট ৫৮ লাখ ২০ হাজার ১৫ জন করোনা টিকার প্রথম ডোজ এবং ৪২ লাখ ৮৯ হাজার ৯১৩ জন দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণ করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat