ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিশ্বব্যাপী তামা দৌড়ে জাম্বিয়ার নতুন সম্ভাবনা ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি পুতিনকে ‘যুদ্ধের দাস’ হিসেবে আখ্যায়িত করলেন জেলেনস্কি আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নতুন উচ্চতায়’ নিয়ে যেতে চায় চীন : চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এপস্টেইন নথি তদন্তে বিশেষ দল গঠন করল ফ্রান্স
  • প্রকাশিত : ২০২০-১২-০৩
  • ৮১২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামে সর্বশেষ গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩১ জনের নমুনায় করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। সংক্রমণ হার ১২ দশমিক ৮২ শতাংশ। এ সময়ে কারো মৃত্যু হয়নি।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার ২৬০ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। সংক্রমণের হার ছিল ১৮ দশমিক ৭০ শতাংশ। ৩০ নভেম্বর ১৯৯ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। সংক্রমণ হার ছিল ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ। ২৯ নভেম্বর ১ হাজার ৪০৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে সাড়ে চার মাসের সর্বোচ্চ ২৯১ জন পজিটিভ পাওয়া যায়। সংক্রমণ হার ছিল ২০ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের রিপোর্টে বলা হয়, নগরীর আটটি ও কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে বুধবার চট্টগ্রামের ১৮০১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে নতুন ২৩১ জন পজিটিভ শনাক্ত হন। এর মধ্যে শহরের বাসিন্দা ২০৮ জন ও আট উপজেলার ২৩ জন। উপজেলায় আক্রান্তদের মধ্যে হাটহাজারীতে সর্বোচ্চ ৯ জন, সীতাকু-ে ৫ জন, ফটিকছড়িতে ৪ জন, মিরসরাই, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, ভুজপুর ও সাতকানিয়ায় ১ জন করে রয়েছেন। জেলায় মোট শনাক্ত ব্যক্তির সংখ্যা এখন ২৫ হাজার ৮২৫ জন। এর মধ্যে শহরের বাসিন্দা ১৯ হাজার ৫৩৭ জন ও গ্রামের ৬ হাজার ২৮৮ জন।
বুধবার করোনাক্রান্ত কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। ফলে মৃতের সংখ্যা ৩২০ জনই রয়েছে। এতে শহরের বাসিন্দা ২২৫ ও গ্রামের ৯৫ জন। সুস্থতার ছাড়পত্র পেয়েছেন নতুন ৩৭৯ জন। ফলে মোট আরোগ্য লাভকারীর সংখ্যা ২৩ হাজার ৪৬৮ জনে উন্নীত হয়েছে। এর মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ৩ হাজার ৫৪৩ জন, ঘরে থেকে ১৯ হাজার ৯২৫ জন। হোম কোয়ারেন্টাইন বা আইসোলেশনে নতুন যুক্ত হন ৩০ জন, ছাড়পত্র নেন ৩০ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ১ হাজার ২৬৪ জন।
ল্যাবভিত্তিক রিপোর্টে দেখা যায়, ফৌজদারহাটস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ১১১২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৫৩ জন জীবাণুবাহক পাওয়া যায়। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ১৮৮ জনের নমুনার মধ্যে ৫৪ জন করোনা শনাক্ত হন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ল্যাবে ১১৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হলে ৩৩ জন জীবাণুবাহক বলে চিহ্নিত হন। ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ৫৯ টি নমুনার ৯ টিতে ভাইরাস পাওয়া যায়। নগরীর একমাত্র বিশেষায়িত কোভিড চিকিৎসা কেন্দ্র আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালের আরটিআরএল-এ পরীক্ষিত ২৫টি নমুনার ২১টির পজিটিভ রেজাল্ট আসে।
বেসরকারি ক্লিনিক্যাল ল্যাব ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ১০৫ টি নমুনার মধ্যে ২৮টি, শেভরনে ১১০ নমুনায় ২৮টি এবং মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ২০ টির ৫ টিতে ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। এদিন চট্টগ্রামের ৫৯ জনের নমুনা কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে পাঠানো হয়। পরীক্ষায় সবগুলোরই ফলাফল নেগেটিভ আসে।
ল্যাবভিত্তিক রিপোর্ট পর্যবেক্ষণে বিআইটিআইডি’তে ৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ, চমেকে ২৮ দশমিক ৭২, চবি’তে ২৭ দশমিক ৯৬, সিভাসু’তে ১৫ দশমিক ২৫, শেভরনে ২৫ দশমিক ৪৫, ইম্পেরিয়ালে ২৬ দশমিক ৬৬ এবং মা ও শিশু হাসপাতালে ২৫ শতাংশ সংক্রমণ হার নির্ণিত হয়। এছাড়া, আরটিআরএলে ৮৫ শতাংশ সংক্রমণ ধরা পড়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat