ব্রেকিং নিউজ :
ময়মনসিংহে ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট বিষয়ক প্রস্তুতি সভা নরসিংদীতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ক্র্যাবের ভোলায় সুষ্ঠু নির্বাচন ও উন্নয়ন ভাবনা বিষয়ক জাতীয় সংলাপ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় বিজিবির ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ ২৩ মার্চ ‘বিএনসিসি দিবস’ ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত পোষ্টার মুদ্রণ থেকে বিরত থাকতে ছাপাখানাকে ইসির নির্দেশ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের পার্লামেন্টে শোক প্রস্তাব গৃহীত শেরপুরের ঘটনায় ইউএনও এবং ওসিকে প্রত্যাহার: ইসি সচিব জুলাই সনদের মূল কথা হলো মানুষের অধিকার বুঝে দেয়া : আলী রীয়াজ ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে আমদানি নীতি আদেশ ২০২৫-২০২৮ অনুমোদন
  • প্রকাশিত : ২০১৮-১০-০৭
  • ৩৭৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
নির্বাচনকালীন সরকার রুটিন ওয়ার্ক ছাড়া অন্য কোন কাজ করতে পারে না : প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিনিধি:-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচনকালীন সরকার রুটিন ওয়ার্ক ছাড়া অন্য কোন কাজ করতে পারে না। কাজেই আমাদের হাতে এখন আর চিকিত্সকদের পক্ষে থেকে করা ১৬ দফা দাবি বিবেচনার সুযোগ নেই। তাই দাবিগুলো আমি রেখে দিলাম। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে যদি আমরা আবার সরকার গঠন করতে পারি, তখন এই দাবিগুলো মেনে নেব।
রবিবার বিকালে গণভবনে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) আয়োজিত ‘চিকিত্সক সম্মিলন-২০১৮’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘জনগণের সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি। ক্ষমতাকে আমরা হাতে নিয়েছি জনগণের সেবা করার দায়িত্ব হিসেবে। মানুষের সেবার মতো মহত্ কাজ আর হতে পারে না। নিজেরা কী পেলাম, না পেলাম সে চিন্তা করি না। চিন্তা একটাই মানুষকে কতটুকু দিতে পারলাম।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের যারা সাধারণ মানুষ, যাদের বিদেশ যাওয়ার মতো সঙ্গতি নেই। তাদের চিকিত্সা সেবাটা নিশ্চিত করা সরকার হিসেবে আমাদের দায়িত্ব কর্তব্য। মানুষ হিসেবে এটি আমাদের দায়িত্ব কর্তব্য বলে মনে করি। মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমন সময় আপনারা কিছু দাবি দাওয়া করলেন, যখন বেলা শেষ। ৫ বছর মেয়াদ আমাদের পূর্ণ হয়ে গেছে। সামনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন, চিকিত্সকদের দাবি করার আগেই কিন্তু অনেক কাজ আমরা আপনাদের জন্য করে দিয়েছি। শেখ হাসিনা বলেন, চিকিত্সা শিক্ষাটা হচ্ছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাজেই বিশেষায়িত শিক্ষা বহুমুখী চিকিত্সা সেভাবে নার্সিং ট্রেনিং এগুলো আমাদের জন্য প্রয়োজন। কারণ আমাদের যারা বিত্তশালী সম্পদশালী। তারা তো একটু হাঁচি-কাশি হলেও বিদেশে চলে যেতে পারে চিকিত্সার জন্য। কিন্তু সাধারণ মানুষ তো সেই সুযোগ পায় না। বড়লোক বিত্তবানরা যাক তাতে আমাদের সিট খালি থাকবে, সাধারণ মানুষ চান্স পাবে। আমার আপত্তি নেই। কিন্তু আমার দেশের মানুষ যারা মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত যাদের বিদেশ যাওয়ার মতো সামার্থ নেই, তাদের চিকিত্সা সেবাটা নিশ্চিত করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমাদের মানুষগুলোকে ট্রেনিং দিয়ে উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে চাই। মানুষের সেবা করাটা কিন্তু সর্বপ্রথম কর্তব্য। আর এখন আমাদের স্যাটেলাইট নিজস্ব হয়ে গেছে। আমরা সারা দেশে ইন্টারনেট সার্ভিস চালু করে দিয়েছি। প্রায় ৯৯ ভাগ জেলায় ইতিমধ্যে ব্রডব্যান্ড চালু হয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি করে দিয়েছি। সব পথেরই কিন্তু উন্নয়ন করে দিচ্ছি। কাজেই এখন আর আমাদের কেবল রাজধানীতেই শুধু থাকতে হবে তা না, সারা বাংলাদেশেই আমাদের চিকিত্সা সেবাটা নিশ্চিত করতে হবে। সেইদিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দেবেন বলে আমি আশা করি।’

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat