ব্রেকিং নিউজ :
ময়মনসিংহে ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট বিষয়ক প্রস্তুতি সভা নরসিংদীতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ক্র্যাবের ভোলায় সুষ্ঠু নির্বাচন ও উন্নয়ন ভাবনা বিষয়ক জাতীয় সংলাপ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় বিজিবির ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ ২৩ মার্চ ‘বিএনসিসি দিবস’ ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত পোষ্টার মুদ্রণ থেকে বিরত থাকতে ছাপাখানাকে ইসির নির্দেশ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের পার্লামেন্টে শোক প্রস্তাব গৃহীত শেরপুরের ঘটনায় ইউএনও এবং ওসিকে প্রত্যাহার: ইসি সচিব জুলাই সনদের মূল কথা হলো মানুষের অধিকার বুঝে দেয়া : আলী রীয়াজ ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে আমদানি নীতি আদেশ ২০২৫-২০২৮ অনুমোদন
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৮-৩০
  • ৩২৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, বিদেশীরা যেভাবে রেল থেকে আয় করে থাকে, বাংলাদেশ রেলওয়েও বহুমুখী আয়ের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। 
তিনি বলেন, রেলের অপটিক্যাল ফাইবার লিজ প্রদান রেলের আয় বৃদ্ধি কার্যক্রমের একটি অংশ।
আজ রেলভবনে পাঁচটি কোম্পানির সাথে বাংলাদেশ রেলওয়ের অপটিক্যাল ফাইবার লিজ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রেলপথ মন্ত্রী এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘রেল জনগণের বাহন। জনগণকে জানানোর উদ্দেশ্যে, স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য আমরা প্রকাশ্যে চুক্তি করছি। রেলওয়ে একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এটি ভর্তুকি দিয়ে চলছে। রেলের অনেক সম্পদ রয়েছে। আমরা সেখান থেকে আয় বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।’
তিনি বলেন, একটি দেশের ভারসাম্যপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য, টেকসই উন্নয়নের জন্য রেল খাতের উন্নয়ন জরুরী। প্রধানমন্ত্রী আলাদা মন্ত্রণালয় গঠন করে দেয়ার পরে আমরা সেই উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। 
তিনি জানান, ৪৭ পরবর্তী সময়ে রেলওয়ের কোন উন্নয়ন হয়নি। স্বাধীনতার সময় রেলখাত বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু রেলকে পুনর্গঠন করেন। ৭৫ পরবর্তী সরকারগুলো রেলের কোন উন্নয়ন করেনি। ১০ হাজার রেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে হ্যান্ডসেকের মাধ্যমে বিদায় করেছে। ভবিষ্যতে রেলের জমিসহ পণ্য পরিবহনের ব্যবহার  বৃদ্ধির মাধ্যমে রাজস্ব আয় বাড়নোর বহুমুখী কার্যক্রম গ্রহণ করছি।
উল্লেখ্য,  বাংলাদেশ রেলওয়ের দৈনন্দিন ট্রেন পরিচালনায় টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দুটি স্টেশনের মধ্যে লাইন ক্লিয়ার আদান-প্রদানে অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ১৯৮৪ সালে রেলের মাধ্যমে অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন করা হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে ১৯৯০ সালে ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন করা হলেও বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে অদ্যাবধি ৩ হাজার ২০৫ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন করা হয়েছে। আজ যাদের সাথে চুক্তি করা হয়েছে, তারা হচ্ছে- বাহন লিঃ, সামিট কমিউনিকেশন লিঃ, বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশন লিমিটেড, রবি আজিয়াটা লিঃ ও ফাইবার হোম লিঃ। পাঁচটি কোম্পানির সাথে বাংলাদেশ রেলওয়ের মোট ১৭৭ কোটি ৩৯ লাখ ৮০ হাজার টাকার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় । 
বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষে সকল ক্ষেত্রে চুক্তি স্বাক্ষর করেন চিফ সিগনাল ও টেলিকম কর্মকর্তা বেনুরঞ্জন সরকার। 
বাহন লিমিটেড এর পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানের এমডি সাঈদ সামিউল হক, সামিট কমিউনিকেশনস লিমিটেডের পক্ষে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আলি মুর্তজা খান। বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনের পক্ষে এমডি ও চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার এরিক আস, রবির পক্ষে চিফ টেকনিক্যাল অফিসার পেরিহেম  এলহামি ও ফাইবার লিমিটেডের পক্ষে চীফ মার্কেটিং অফিসার রাজীব আহমেদ সুলতান চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. হুমায়ুন কবীর। এ সময় বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদারসহ রেলপথ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat