পূর্ণিমার প্রভাবে অস্বাভাবিক জোয়ারে জেলার পায়রা ও বিষখালি নদীতে স্বাভাবিকের চেয়ে দুই-তিন ফুট পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেলার নিম্নাঞ্চলের ২০টি গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে। তালতলী উপজেলার তেতুলবাড়িয়ায় ভাঙা বাঁধ দিয়ে ঢুকছে জোয়ারের পানি।
বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি পরিমাপকারী মাহাতাব হোসেন ও আমতলী উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি পরিমাপকারী মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, পায়রা ও বিষখালি নদীতে বিপৎসীমার ৪৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়েছে।
বরগুনার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, যে সকল জায়গায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ দুর্বল হয়ে গেছে সেগুলো সংস্কার এবং পানি কমে গেলেই তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামের বাঁধ সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বরগুনার তালতলী উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম সাদিক তানভীর জানান, এখন পর্যন্ত ১০৭ পরিবারকে শুকনো খাবার দেয়া হয়েছে জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে।