ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচনকালীন নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা দৃঢ়তার সঙ্গে প্রতিহতের নির্দেশ বিজিবি মহাপরিচালকের গণমাধ্যমকে অপতথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান ইসি সচিবের জামায়াত আমিরের সঙ্গে জাপানি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ভয়েস ফর জাস্টিস অবজারভার্স দলের সাক্ষাৎ দিনাজপুরে র‌্যাব সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অপারেশন কন্ট্রোল রুম পরিদর্শন করলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ভেনেজুয়েলার তেল খাত সম্পর্কিত নিষেধাজ্ঞা আরও শিথিল করলো যুক্তরাষ্ট্র একটি শান্তিপূর্ণ, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানে ইসি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : সিইসি বিশ্বে ৯ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি মানুষের ছানি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রাণীদের চিকিৎসাকেন্দ্র উদ্বোধন তারেক রহমানের, মিলবে বিনামূল্যে সেবা
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৫-২১
  • ৪৭৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেছেন, সারাদেশে তীব্র নদী ভাঙনকবলিত ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে স্থায়ী সমাধানের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুধুমাত্র চট্টগ্রামেই ১৩টি প্রকল্পে ৭ হাজার ২০০ কোটি টাকার প্রকল্প চলমান রয়েছে। আগামীতে বন্যা, বর্ষা ও ভাঙন মোকাবিলায় সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। দুর্নীতি যাতে না হয় এবং কাজের ক্ষেত্রে যাতে গুণগত মান বজায় থাকে, সেজন্য নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।
আজ চট্টগ্রামে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল জোনের চলমান কাজের অগ্রগতি নিয়ে কর্মকর্তা কর্মচারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় পানি উন্নয়ন বোর্ড চট্টগ্রামের প্রধান প্রকৌশলী মো. রমজান আলী প্রামাণিক, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শিবেন্দু খাস্তগীর, নির্বাহী প্রকৌশলী তয়ন কুমার ত্রিপুরা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এনামুল হক শামীম বলেন, কাজের ব্যাপারে কোনো প্রকার অনিয়ম, দুর্নীতি ও গাফিলতি সহ্য করা হবে না। এসব প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হলে চট্টগ্রামে নদী ভাঙনের সমস্যা অনেকাংশে কমে যাবে। নদীভাঙন রোধে পর্যায়ক্রমে ভাঙন কবলিত সব এলাকায় স্থায়ী প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। আর এসব প্রকল্প সম্পন্ন হলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বাংলাদেশের মানুষ অনেকাংশে জলাবদ্ধতা ও নদী ভাঙন থেকে রক্ষা পাবে। উপকূল অঞ্চলে প্রতিটি বাঁধ প্রশস্থ ও উঁচু করা হচ্ছে, বনায়ন করা হচ্ছে। আর এসব স্থায়ী প্রকল্পে নদী খনন বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে এবং তা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য জনবলও বাড়ানো হয়েছে। যথাসময়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ফলেই গত ১৩ বছরে সারাদেশে নদী ভাঙনের পরিমাণ সাড়ে ৯ হাজার হেক্টর থেকে কমে এখন সাড়ে ৩ হাজার হেক্টরে নেমেছে। হাওড় অঞ্চলেও ভাঙন রোধে কাজ করা হয়েছে। এ কারণে সেখানকার কৃষকরা ফসল ঘরে তুলতে পেরেছেন।
উপমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীর বাসযোগ্য বিশ্বমানের সুবিধা সম্বলিত বাংলাদেশ গড়তে চান। সেজন্য তিনি ডেল্টাপ্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নেরও ঘোষণা দিয়েছেন। আর এই মহাপরিকল্পনার সিংহভাগ কাজই পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন করবে। এ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সারাদেশে নদী ভাঙন ও জলাবদ্ধতার কোনো সমস্যাই থাকবে না। এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat