ব্রেকিং নিউজ :
ভোলায় শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় জাতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রধান উপদেষ্টার উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষে গণনা চলছে যমুনা থেকে ভোটদান চিত্র পর্যবেক্ষণ প্রধান উপদেষ্টার এবারের ঐতিহাসিক নির্বাচন জাতির কাছে উদাহরণ হয়ে থাকবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দুই ক্র্যাচে ভর দিয়ে ভোট কেন্দ্রে রাজশাহীর বৃদ্ধা দুলোন জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে : ফারুক-ই-আজম ভোটারদের ইতিবাচক উৎসাহ ও অংশগ্রহণ লক্ষ্য করেছে ইইউ জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট প্রদান করছে : তথ্য উপদেষ্টা দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট প্রদানের হার ৩২.৮৮ শতাংশ : ইসি সচিব
  • প্রকাশিত : ২০২১-১১-২০
  • ৬৫২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তির নাম হচ্ছে মেধাবি তরুণ জনগোষ্ঠী। 
তরুণরা বাংলাদেশের ভবিষ্যত উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, তাদের ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠবে জ্ঞান ভিত্তিক ডিজিটাল সাম্য সমাজ ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা। 
মোস্তাফা জব্বার আজ শনিবার অনলাইনে যুক্ত হয়ে কক্সবাজার জেলা পরিষদ মিলনায়তনে রুরাল ই-কমার্স স্ট্যান্ডিং কমিটি অব ই-ক্যাব, মার্কেটিং এন্ড সোস্যাল কমিট অব ই-ক্যাব, একশপ এবং কক্সবাজার ইয়ুথ এন্টারপ্রেনার্স ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘গ্রামীণ উদ্যোক্তা উন্নয়ন, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক দু’দিনব্যাপি কর্মশালার উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন। খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।
টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মেধা ও সৃজনশীলতাকে ডিজিটাল যুগের  প্রধান উপাদান হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন ছাড়া আগামী দিনের পৃথিবীতে টিকে থাকা অসম্ভব। শিক্ষিত জনগোষ্ঠীতো বটেই একজন কৃষক, দিনমজুর বা মুদি দোকানীর জন্যও এই দক্ষতা অর্জন করা অপরিহার্য।
তিনি বলেন, ডিজিটাল দক্ষতা মানে কম্পিউটার প্রকৌশলী কিংবা বিশেষজ্ঞ হওয়া নয়, কিন্তু প্রত্যেককেই অন্তত ডিজিটাল যন্ত্র ব্যবহার জানতে হবে। নিজেদের তৈরি করার জন্য প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য উল্লেখ করে  মন্ত্রী বলেন, নতুন প্রজন্ম ডিজিটাল বাংলাদেশের বড় সৈনিক।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফা জব্বার তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমরা যখন তরুণ ছিলাম, তখন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য বঙ্গবন্ধুর ডাকে যুদ্ধ করেছি, আর তোমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যুদ্ধ চালিয়ে যাও, তোমরা বিজয়ী হবে, তোমাদের উপর ভিত্তি করেই প্রতিষ্ঠা লাভ করবে ডিজিটাল সাম্য সমাজ।’ 
তিনি বলেন, সুখি, সমৃদ্ধ সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু বেতবুনিয়ায় উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র, টিএন্ডটি বোর্ড গঠন, আইটিইউ ও ইউপিইউর সদস্য পদ অর্জন, প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতীয়করণ এবং কারিগরি শিক্ষা বিকাশে যুগান্তকারি উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশের বীজ বপন করে গেছেন। তারই সুযোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত  সময়ে চারটি মোবাইল কোম্পানিকে লাইসেন্স প্রদান, ভি-স্যাটের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা চালু এবং কম্পিউটার প্রযুক্তি সাধারণের নাগালে পৌঁছে দিতে কম্পিউটারের উপর থেকে ভ্যাট-ট্যাক্স প্রত্যাহার করে ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য রোপন করা বীজটি চারা গাছে রূপান্তর করেছেন। গত ১৩ বছরে ডিজিটাল বাংলাদেশ দৃশ্যমান উন্নয়ন শক্তিতে রূপান্তর লাভ করেছে। 
মন্ত্রী বলেন, ‘ডিজিটাল রূপান্তরের স্থপতি প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের দিকনির্দেশনায় আমরা মানুষের দোড়গোড়ায় উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছি। প্রযুক্তির লেটেস্ট ভার্সন ৫জি আমরা চালু করতে যাচ্ছি।’
তিনি বলেন, কোভিডকালে শিক্ষার্থীদের অনলাইন পাঠ গ্রহণ নিশ্চিত করতে দেশের প্রায় ৯৮ ভাগ এলাকায়  মোবাইল সংযোগ থ্রি-জি থেকে ফোর-জিতে উন্নীত করা হয়েছে। ইন্টারনেট সহজলভ্য করার পাশাপাশি ডিজিটাল ডিভাইসের সহজলভ্যতা ও সাশ্রয়ী মূল্য নিশ্চিত করতে দেশে স্মার্ট ফোন কারখানা গড়ে তুলতে বিনিয়োগকারিদের প্রণোদনাসহ বিভিন্নভাবে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশে ১৪টি মোবাইল কারখানা গড়ে উঠেছে। এইসব কারখানা  থেকে উৎপাদিত মোবাইল ফোন দেশের চাহিদার প্রায় শতকরা ৬৩ ভাগ পূরণ করছে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন। 
কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স’র সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ, রুরাল ই-কমার্স স্ট্যান্ডিং কমিটি অব ই-ক্যাবের সহ-সভাপতি জাহিদুজ্জামান ফারুক, কক্সবাজার ইয়থ ইন্টারপ্রেনার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা লিটন দেবনাথ প্রমূখ বক্তৃতা করেন। এটুআইর ই-কমার্স প্রধান রেজওয়ানুল হক জামি এ অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat