ব্রেকিং নিউজ :
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা বরিশালে ব্যস্ত সময় পার করছেন ঢাক তৈরি কারিগররা নোয়াখালীতে বজ্রপাতে এক গৃহবধূর মৃত্যু সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নাসির উদ্দিন খাঁন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ধর্মকে জীবন থেকে আলাদা করা যায়না : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডিসিসিআইয়ের প্রতিনিধিদলের তুরষ্ক সফর ফিদে ওয়ার্ল্ড ইয়ুথ অনূর্ধ্ব-১৬ দাবা অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হায়াশির সাথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ৯ অক্টোবর পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী বাংলাদেশ বিপুল পর্যটন সম্ভাবনাময় দেশ : প্রধানমন্ত্রীর
  • আপডেট টাইম : 01/07/2022 05:35 AM
  • 76 বার পঠিত

গত ২৪ ঘন্টায় তুলনামূলকভাবে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে।
সিলেটে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি বিজ্ঞান উপ বিভাগ (বাপাউবো) কার্যালয় জানিয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সিলেট ও সুনামগঞ্জে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর ৫টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বন্যার পানি হ্রাস পেয়ে বিপদসীমার সমপর্যায়ে নেমে এসেছে।
সন্ধ্যা ৬টায় সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে ১২.৭৫ মিটারে নেমে এসেছে, আগেরদিন সেটা ছিল ১৩.৫১ মিটারে, সেখানে বিপদসীমা হচ্ছে ১২.৭৫ মিটার। একই সময়ে সুরমা নদী সিলেট পয়েন্টে প্রবাহিত হচ্ছে ১০.৮০ মিটার উচ্চতায়, আগেরদিন ওই পয়েন্টে পানি প্রবাহের উচ্চতা ছিল ১০.৭৬ মিটার। সেখানে পানির বিপদসীমা হচ্ছে ১০.৮০ মিটার।
সুরমা নদী ছাতক পয়েন্টে পানির লেভেল হচ্ছে ৮.১১ মিটার, আগেরদিন সেখানে ছিল ৯.১০ মিটার, ওখানে পানির বিপদসীমা হচ্ছে ৮.১১ মিটার। সুরমা নদী সুনামগঞ্জ সদর পয়েন্টে পানির বর্তমান লেভেল হচ্ছে ৭.৮০ মিটার, আগেরদিন সেখানে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল ৭.৭৫ মিটার উচ্চতায়, ওখানে পানির বিপদসীমা হচ্ছে ৭.৮০ মিটার।
কুশিয়ারা নদী সিলেটের সীমান্তবর্তী জকিগঞ্জ অমলশিদ পয়েন্টে পানি প্রবাহের উচ্চতা হচ্ছে ১৫.৪০ মিটার, আগেরদিন সেখানে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল ১৬.৩৯ মিটার উচ্চতায়, সেখানে পানির বিপদসীমা হচ্ছে ১৫.৪০ মিটার।
সবমিলিয়ে পানি কমতে শুরু করায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তারা জানান, আগামী কিছুদিন বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কম হওয়ায় ধীরে ধীরে লোকালয় ও রাস্তাঘাট থেকে পানি কমতে শুরু করেছে।
এদিকে, বন্যা পরিস্থিতির মধ্যে গত দুই ধরে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা কবলিত এলাকায় আতঙ্ক দেখা দিয়েছিল। পানি কমতে শুরু করায় জনমনে আবার স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে বন্যার পানি ধীর গতিতে কমতে থাকলে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। টানা দুই সপ্তাহ পানিবন্দী থাকায় খাদ্য সংকট, পানি, স্যানিটেশন, চিকিৎসাসহ মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে বন্যার্ত এলাকায়। ডায়েরিয়া, চর্ম রোগসহ বিভিন্ন পানি বাহিত রোগ দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন বাহিনী ও বেসরকারি ত্রাণ তৎপরতার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা অব্যাহত রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...