ব্রেকিং নিউজ :
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে তরুণরাই শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভাষা শিখে বিনা খরচে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জাপানে চাকরির সুযোগ : মাহদী আমিন সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপে অভিযোগ: চসিকের উচ্ছেদ অভিযান সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের মধ্যে চেক বিতরণ বরগুনায় প্লাস্টিক দূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যসেবায় ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : আতিকুর রহমান রুমন ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে : এলজিআরডি মন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৪-১১-২৪
  • ৪৩৪৩৬৫৯ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ক্যালিফোর্নিয়ার ৮৭টি বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৪৯ শতাংশ মুসলিম শিক্ষার্থী হয়রানি ও বৈষম্যের শিকার। ক্যালিফোর্নিয়ার কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস (সিএআইআর) 'দ্য স্টেট অব ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটিজ ইন ২০২৪' শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এমনটাই বলছে।
শাবেস্তান নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে পার্স টুডে জানিয়েছে, প্রতিবেদনে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইসলামফোবিক ঘটনা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ৩৭ শতাংশ মুসলিম শিক্ষার্থী ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে শিক্ষাকর্মীদের দ্বারা বৈষম্যের শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছেন।
বৈষম্যের শিকার হওয়া ৪৭ শতাংশ শিক্ষার্থী বলেছে, তারা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক।
৩৬ শতাংশ বলেছে, তারা ক্যাম্পাসে স্বাধীনভাবে তাদের রাজনৈতিক মতামত প্রকাশ করতে পারে না।
ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে ব্যাপক বিক্ষোভের পর যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। গত এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি শুরু হয় এবং বিশ্বের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছড়িয়ে পড়ে।
মার্কিন পুলিশ এই সময়ের মধ্যে অনেক শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করে। তাদের দমন করতে বল প্রয়োগ করে। তারা কিছু মুসলিম শিক্ষার্থীকে তাদের হিজাব খুলতেও বাধ্য করে।
গাজায় ইসরায়েলি ধ্বংসযজ্ঞের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রতিবাদ করায় হার্ভার্ড, পেনসিলভানিয়া ও এমআইটি নামের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্টকে নিয়েও প্রশ্ন করেন মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা।
গাজার প্রতি সমর্থন প্রদর্শনের জন্য আমেরিকার কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কর্মকাণ্ডেরও নিন্দা জানিয়ে কংগ্রেসে একটি প্রস্তাব পাস হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat