ব্রেকিং নিউজ :
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে তরুণরাই শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভাষা শিখে বিনা খরচে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জাপানে চাকরির সুযোগ : মাহদী আমিন সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপে অভিযোগ: চসিকের উচ্ছেদ অভিযান সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের মধ্যে চেক বিতরণ বরগুনায় প্লাস্টিক দূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যসেবায় ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : আতিকুর রহমান রুমন ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে : এলজিআরডি মন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২২-০১-৩১
  • ৫৯৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করার পরে আজ মামলার বাদী সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস তার প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের বলেন- ‘এই রায় আমাদের প্রত্যাশিত হলেও, রায় কার্যকর হলেই সন্তুুষ্ট হবো।’
মামলার রায়ে আজ আসামী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত। এছাড়া এই মামলায় আরো ৬ আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। আদালত ৭ আসামীকে বেকসুর খালাস প্রদান করেছেন।
কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাঈল আজ সোমবার বিকেলে এই রায় ঘোষণা করেন। এই সময়ে আদালতে উপস্থিত ছিলেন নিহত সিনহার বড় বোন শারমিন।
যাবজ্জীবন কারাদন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন- এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাগর দেব, রুবেল শর্মা, পুলিশের সোর্স নুরুল আমিন, নিজাম উদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াজ। আদালত মৃত্যুদন্ড ও যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামীদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদন্ডও দিয়েছেন।
মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন এপিবিএনের এসআই শাহজাহান আলী, কনস্টেবল মো. রাজীব, মো. আব্দুল্লাহ, পুলিশের কনস্টেবল সাফানুল করিম, কামাল হোসেন, লিটন মিয়া ও পুলিশের কনস্টেবল আব্দুল্লাহ আল মামুন।
আদালতে রায় ঘোষণা করার পর আসামীর কাঠগড়ায় টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ দাশ ও পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে নির্বিকার দেখা যায়। এই সময়ে চিৎকার করে কান্নাকাটি করেন যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত আসামী টেকনাফের মারিশবুনিয়া গ্রামের মোহাম্মদ আয়াছ ও নিজাম উদ্দিন।
কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল দুপুর ২টা ১৭ মিনিটের দিকে মামলার ৩শ’ পৃষ্ঠার রায়ের উল্লেখযোগ্য অংশ পাঠ শুরু করেন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি আসামীদের দন্ড ঘোষণা করে এজলাস কক্ষ ত্যাগ করেন। আদালত এই সময়ে রায়ের পর্যবেক্ষণে বলেন, ‘আমি মেজর সিনহা হত্যা মামলাটির বিভিন্ন ইস্যু খুঁটিনাটি খোঁজার চেষ্টা করেছি। এতে প্রমাণিত হয় সিনহা হত্যা একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড।’
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ফরিদুল আলম বলেন- সিনহা হত্যা মামলায় ১৫ আসামির সবার সাজা হবে প্রত্যাশা করেছিলাম। আমরা প্রমাণ করেছি এটি পরিকল্পিত হত্যাকা-। কিন্তু সব আসামীর সাজা না হওয়ায় আমরা হতাশ।
সিনহা হত্যা মামলার রায়কে ঘিরে সকাল থেকেই কক্সবাজার আদালত প্রাঙ্গনে ছিল কড়া নিরাপত্তা। সকালে আদালতে পৌঁছানোর পর আইনজীবী, সাংবাদিকসহ সকলকে প্রধান ফটক থেকে শুরু করে এজলাস পর্যন্ত যেতে কয়েক দফা নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতিবন্ধকতা পার হতে হয়।
কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কে শামলাপুর এপিবিএন চেকপোস্টে ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat